Uncategorized
With Product You Purchase
Subscribe to our mailing list to get the new updates!
Lorem ipsum dolor sit amet, consectetur.
Is Futurionex.com a Scam- (Broker Review) - Submit Report 2019
Is Futurionex.com a Scam- (Broker Review) - Submit Report 2019
আওয়ামী লীগের মাসুদ আলমের ফান্ডিংয়ে এশিয়া পোস্ট ----- ৫ আগস্টের পর নিউ মিডিয়ার ফান্ডিং নিয়ে অনেক প্রশ্ন উঠেছিল। বেশকিছু মিডিয়ায় ফান্ডিং করেছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ। এটা জুলাই পরবর্তী বাংলাদেশে লজ্জাজনক। এশিয়া পোস্টও ৫ আগস্টের পর এসেছে। ইন্টেরিমের সময় তারা বলেছে এই হাউজ বিএনপি-জামায়াতের। অর্থাৎ জুলাইপন্থীদের। সেজন্য উদ্বোধন ও ব্র্যান্ডিং করে দিয়েছে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপি অর্থাৎ জুলাইপন্থীরা। কিন্তু এখন সামনে এসেছে ভয়ঙ্কর এক তথ্য! এশিয়া পোস্ট অনলাইন এবং প্রিন্ট দৈনিকের ফান্ডিং মূলত আওয়ামী লীগের। মাসুদ আলম এই কোম্পানির চেয়ারম্যান এবং ফান্ডদাতা। তিনি ছিলেন আওয়ামী লীগের সাবেক যুব উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী মন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেলের ক্যাশিয়ার। ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং এর মাধ্যমে যুব উন্নয়ন থেকে শত শত কোটি টাকা কামিয়েছে। বিএনপি ২০০১ সালে ক্ষমতায় আসার পর তাদের বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল বলে সে নিজে টকশোতে বলেছে। আওয়ামী লীগ থেকে যুব কাউন্সিল নির্বাচন করে জাহিদ আহসান রাসেলের বদৌলতে সভাপতি হয়েছে। যুব কাউন্সিলের সভাপতি হয়ে শত শত কোটি টাকা কামিয়েছে। শরীয়তপুর থেকে আওয়ামী লীগের ব্যানারে নির্বাচনও করতে চেয়েছিল। না পেয়ে পরে স্বতন্ত্র নির্বাচন করেছে। সেখানেও নাহিম রাজ্জাক এবং আওয়ামী লীগের দাপট দেখিয়েছে, যদিও শেষ পর্যন্ত হেরেছে। আওয়ামী লীগের পতনের পর জাহিদ আহসান রাসেলের লোকজনকে বস্তাভর্তি টাকা দিতে গিয়ে ৭ আগস্ট ২০২৪ (হাসিনার পতনের ২ দিন পর) জুলাইয়ের অন্যতম হটস্পট উত্তরায় ছাত্র-জনতার হাতে গাড়িসহ আটক হয়েছিল। ইন্টেরিমের সময় তার একাউন্ট জব্দ, দুদকের আবেদনে সস্ত্রীক বিদেশ সফরে নিষেধাজ্ঞাসহ নানা অভিযোগ স্বত্তেও সে টাকার বদৌলতে পার পেয়ে যায়। বর্তমান সরকারের সময়ও সে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। সর্বশেষ এআই প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের ২১ কোটি টাকার কাজ পেয়েছে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের এই মাসুদ। যুব উন্নয়নসহ নানা দপ্তরে কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রে দুজন প্রতিমন্ত্রীর নাম ভাঙায় সে। এরমধ্যে একজনকে বন্ধু পরিচয় দেয়। আমরা এখনই সেই দুজন প্রতিমন্ত্রীর নাম বলতে চাই না। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের লোকজন যদি এখনও কোটি কোটি টাকার কাজ পেয়ে যায়, তাহলে কী দরকার ছিল এতগুলো মানুষের শহীদ হওয়া? শহীদদের সাথে বেইমানি করলে মন্ত্রী কিংবা প্রতিমন্ত্রী যেই হোক না কেন, আমরা তা সহ্য করব না। এখনও সময় আছে, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ যাদের জেলের ঘানি টানার কথা ছিল, তারা বহাল তবিয়তেই রয়েছে। এই গুপ্ত আওয়ামী লীগ না থাকলে বুঝাই যেত না কীভাবে ধোঁকা দিয়ে ধূর্তভাবে আওয়ামী লীগ পরিচয় গোপন রেখে সিক্রেট এজেন্ট হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। এদেরকে বয়কট করে, ব্যবস্থা নিয়ে থামাতে না পারলে ভবিষ্যতে এরা বাংলাদেশবিরোধী সিক্রেট এজেন্ট হিসেবে কাজ যাবে। শহীদ ওসমান হাদির খু নি রাও এভাবেই পরিচয় গোপন করে জুলাইপন্থীর বেশ ধরে মিশন সাকসেস করে ফেলেছিল। সুতরাং জুলাইপক্ষের আরও সতর্ক হতে হবে। মূল কথা হলো- আওয়ামী লীগের টাকায় গড়া কোনো মিডিয়া কখনোই জুলাইয়ের হবে না।
আওয়ামী লীগের মাসুদ আলমের ফান্ডিংয়ে এশিয়া পোস্ট ----- ৫ আগস্টের পর নিউ মিডিয়ার ফান্ডিং নিয়ে অনেক প্রশ্ন উঠেছিল। বেশকিছু মিডিয়ায় ফান্ডিং করেছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ। এটা জুলাই পরবর্তী বাংলাদেশে লজ্জাজনক। এশিয়া পোস্টও ৫ আগস্টের পর এসেছে। ইন্টেরিমের সময় তারা বলেছে এই হাউজ বিএনপি-জামায়াতের। অর্থাৎ জুলাইপন্থীদের। সেজন্য উদ্বোধন ও ব্র্যান্ডিং করে দিয়েছে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপি অর্থাৎ জুলাইপন্থীরা। কিন্তু এখন সামনে এসেছে ভয়ঙ্কর এক তথ্য! এশিয়া পোস্ট অনলাইন এবং প্রিন্ট দৈনিকের ফান্ডিং মূলত আওয়ামী লীগের। মাসুদ আলম এই কোম্পানির চেয়ারম্যান এবং ফান্ডদাতা। তিনি ছিলেন আওয়ামী লীগের সাবেক যুব উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী মন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেলের ক্যাশিয়ার। ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং এর মাধ্যমে যুব উন্নয়ন থেকে শত শত কোটি টাকা কামিয়েছে। বিএনপি ২০০১ সালে ক্ষমতায় আসার পর তাদের বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল বলে সে নিজে টকশোতে বলেছে। আওয়ামী লীগ থেকে যুব কাউন্সিল নির্বাচন করে জাহিদ আহসান রাসেলের বদৌলতে সভাপতি হয়েছে। যুব কাউন্সিলের সভাপতি হয়ে শত শত কোটি টাকা কামিয়েছে। শরীয়তপুর থেকে আওয়ামী লীগের ব্যানারে নির্বাচনও করতে চেয়েছিল। না পেয়ে পরে স্বতন্ত্র নির্বাচন করেছে। সেখানেও নাহিম রাজ্জাক এবং আওয়ামী লীগের দাপট দেখিয়েছে, যদিও শেষ পর্যন্ত হেরেছে। আওয়ামী লীগের পতনের পর জাহিদ আহসান রাসেলের লোকজনকে বস্তাভর্তি টাকা দিতে গিয়ে ৭ আগস্ট ২০২৪ (হাসিনার পতনের ২ দিন পর) জুলাইয়ের অন্যতম হটস্পট উত্তরায় ছাত্র-জনতার হাতে গাড়িসহ আটক হয়েছিল। ইন্টেরিমের সময় তার একাউন্ট জব্দ, দুদকের আবেদনে সস্ত্রীক বিদেশ সফরে নিষেধাজ্ঞাসহ নানা অভিযোগ স্বত্তেও সে টাকার বদৌলতে পার পেয়ে যায়। বর্তমান সরকারের সময়ও সে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। সর্বশেষ এআই প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের ২১ কোটি টাকার কাজ পেয়েছে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের এই মাসুদ। যুব উন্নয়নসহ নানা দপ্তরে কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রে দুজন প্রতিমন্ত্রীর নাম ভাঙায় সে। এরমধ্যে একজনকে বন্ধু পরিচয় দেয়। আমরা এখনই সেই দুজন প্রতিমন্ত্রীর নাম বলতে চাই না। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের লোকজন যদি এখনও কোটি কোটি টাকার কাজ পেয়ে যায়, তাহলে কী দরকার ছিল এতগুলো মানুষের শহীদ হওয়া? শহীদদের সাথে বেইমানি করলে মন্ত্রী কিংবা প্রতিমন্ত্রী যেই হোক না কেন, আমরা তা সহ্য করব না। এখনও সময় আছে, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ যাদের জেলের ঘানি টানার কথা ছিল, তারা বহাল তবিয়তেই রয়েছে। এই গুপ্ত আওয়ামী লীগ না থাকলে বুঝাই যেত না কীভাবে ধোঁকা দিয়ে ধূর্তভাবে আওয়ামী লীগ পরিচয় গোপন রেখে সিক্রেট এজেন্ট হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। এদেরকে বয়কট করে, ব্যবস্থা নিয়ে থামাতে না পারলে ভবিষ্যতে এরা বাংলাদেশবিরোধী সিক্রেট এজেন্ট হিসেবে কাজ যাবে। শহীদ ওসমান হাদির খু নি রাও এভাবেই পরিচয় গোপন করে জুলাইপন্থীর বেশ ধরে মিশন সাকসেস করে ফেলেছিল। সুতরাং জুলাইপক্ষের আরও সতর্ক হতে হবে। মূল কথা হলো- আওয়ামী লীগের টাকায় গড়া কোনো মিডিয়া কখনোই জুলাইয়ের হবে না।
Related Articles
Check Also
Close